পলায়নী...
বুকের মধ্যে চুইঁয়ে পরে অলখ ব্যথার এক আধ কনা।
… মন্দ থাকা'র দু-হাত আগে
আমপাতাটির চিকন এসে মর্মে লাগে।
এখন হয়ত মেঘলা চাঁদের বিবর্ণ মুখ
ওজোন-ঘেঁষা ইষৎ অসুখ
…ক্রমাগত
ঘুমের মধ্যে হাত-পা ছুড়ছে তোমার মতো
আদিম কোনো অলক্ত-রাগ।
কালসিটে, না চিরন্তনী ব্যথার পরাগ?
যে সব স্মৃতি মুখের ছাঁচে পথ চলা'কেই উস্কে দিতো
সে মোড়'গুলো এখনও প্রায় অনতীত।
বুক পোড়া ছাই, অনভ্যাসের বোতাম খোলা, ভীষণ পাতি
তোমায় চাওয়া এক ধরনের প্রত্যাঘাত'ই।
এইযে তুমি গা দুলিয়ে তুমুল হাসছো রানীর মতো
কান্নাগুলো জমিয়ে রাখছো নিয়ত সাবধানীর মতো
এইযে স্বচ্ছ শাড়ির ফাঁকে অন্যরকম আলতামিরা'য়
আরোহ দেয় ভুল ইশারা, কিশোরি রাই,
সন্ধি পূজার সপ্তমীতে আঁচলা খসি
পড়লো, তোমার বয়স ষোলো, একটু তোমার পাশেই বসি?
কিংবা এখন তোমার বয়স ত্রিশ পার হয়ে
একত্রিশের ঘাটের দিকে যাচ্ছে বয়ে
চোখের নিচে মেঘ করেছে
অতীত প্রেমের দাগ পড়েছে
কান্নাগুলো লুকিয়ে রাখো খুব গোপনে
কানাঘুষো'য় প্রায় শোনা যায়‚ তোমার মধ্যে তেমন কোনো রহস্য নেই।
এইযে শোনো, সদ্য রঙিন ব্লাউজ কেনা স্টেনোগ্রাফার
রঙের নিচে ছেঁড়া ব্রা'য়ের গল্প শুনে লাভ কী আমার!
অফিস ফেরৎ আমার সাথে বাইরে যেতে
বরং কিছু উপরি পেতে।
কী যায় আসে খুবলে খেলাম একটু নরম হাসির ফাঁকে?
এমনিতেও তো ওসব গুলো ঢাকা'ই থাকে।
ধুঁকতে ধুঁকতে গর্তে ফিরছো; বাঁচার তাড়া
তোমার প্রেমের আগের স্টেশন অফিস-পাড়া।
No comments:
Post a Comment