কুঞ্জে গুঞ্জে মৌমাছি,দুরে শাল্মলী তরুবর
একটু দুরেই কেষ্ট ব্যাটার ঘর,
কটু দুরেই শ্রীরাধে একেলা নীল যমুনার তীরে
গাগরী ভরিছে। কেষ্টাও যেত,যদি না ব্যাটার চপ্পল যেত ছিঁড়ে।
ঠমকি ঠমকি চলিছে রাধিকা
চমকি চমকি উঠিছে মালিকা
টুপ করে ঝরে পরে শেফালিকা
পুরবালিকার শিরে।
কি গেরো রে,বাপ,আজকেই শালা,চপ্পল গেল ছিঁড়ে!
কেষ্ট ভাবছে রাধিকার ফোনে দেওয়া যাক মিসডকল
হায় বিধি বাম,তাও নেই সম্বল!
ভিখারী দশায়,মশা বসে নাকো,তাহলে কিসের লাজ
দুতিন কলসি দুধ চুরি করে ঠিক বেচে দেব আজ
তারপর যদি হিসেব না মেলে
চাম তুলে দেবে বাপ ফাঁক পেলে
আগেভাগে তাই দুধটুকু ঢেলে
মেশাবো কঘটি জল।
যে করেই হোক রাতে রাধিকাকে দিতে হবে মিসডকল।
রিংটোনে গান রাধিকার ফোনে,বাঁশি তো বাজেনা আর
কেষ্টারও হাল খুব কেরোসিন ,সব প্লান ছারখার।
দুগ্ধ চুরির কথা আগেভাগে জেনে গেছে গোয়ালেরা
সেলুনে বসিয়ে স্পাইকচুলকে করে দিয়ে গেছে নেড়া।
সখীপরিবৃতা গলে বনমালা
ভাবিছে রাধিকা কি নিঠুর কালা
এইবার এলে বলে দেব শালা
পরোয়া করিনা তার,
সেই কবে এসে হামি খেয়ে গেছে,এখন পগার পার।
দুগ্ধনগরে আসে বসন্ত,বাতাস গন্ধে ভরে।
কেষ্ট বসিয়া বিড়ি ফুঁকে যায়,রাধিকা কাঁদিয়া মরে।
দুধের ব্যবসা একটু ডাউন,বাসুদেবও টেনশনে
যশোদার সাথে সেও খড় কাটে নীরবে ঘরের কোনে,
মুখে ক্যাডবেরী,মনে লাগে ধাঁধা
রাস্তার দিকে চেয়ে থাকে রাধা
বৃষ্টি হয়েছে প্যাচপেচে কাদা
তাই চুপচাপ ঘরে
বসন্তমাসে দুগ্ধনগরে বাতাস গন্ধে ভরে।
No comments:
Post a Comment