বারোটা
পঁয়ত্রিশ।নিয়ম মেনে তুমিও চুপ..চাপ চাপ কষ্টপাতা মাড়িয়ে আমি একটা ঘুমের
পাহাড়ের নিচে নুড়িপাথর খুঁজবো বলে বসতে না বসতেই আবার তুমি এলে।শোঁশোঁ
শব্দটাকে প্রথমে অবশ্য আমি সিলিং ফ্যানের দুষ্টুমি ভেবেছিলাম।মশারির চালে
আঙ্গুরলতা ,খাটের পায়ায় পলিমাটির ঘ্রান এককোনে ঝুলের মধ্যে আটকে থাকা পোকা
আর আগ্রাসী টিকটিকির সমীকরণটা বুঝতে দিলো না। কেবল তারটা বেয়ে চুঁইয়ে
চাঁদনি নেমে এলে আমি তখন চন্দ্রগ্রস্ত তারার ম্যাস্কুলাইন
ভার্সান।স্বপ্নরাজ্যে তখন অমাবশ্যার অ্যবসোলিউট মেজরিটি..কুচোকুচো মনখারাপ
"রা এদিকে ওদিকে দেয়ালা করে বেড়াচ্ছে।টিভির রিমোটটা অবশ্য আংশিক আলাদিনের
চেরাগ।এই বরফ অভিমান আর সর্দিসর্দি নীরবতাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে নার্নিয়া
থেকে একটা শর্ট ট্রিপে মানুষের মত মাথাওয়ালা ঘোড়াগুলোর সাথে আলাপ করিয়ে
আনলো।
তোমার প্রবেশ ও প্রস্থান উভয়ক্ষেত্রেই মাথার মধ্যে ইটার্ন্যাল রবীন্দ্রজয়ন্তী সেলেব্রেশন. ..তবে অনুষ্ঠানে বিবিধতা নেই।একজনই শিল্পী ,সেই কবে থেকে একঘেয়ে ভাবে "রাহুর প্রেম"আবৃতি করেই চলেছে।
সে যে যা খুশী করুক।আমি ভাবছি ,স্বপ্নগুলোকে একটু ধমকে দেবো নাকি শুধু রি অ্যারেঞ্জ করে নিলেই হবে?
তোমার প্রবেশ ও প্রস্থান উভয়ক্ষেত্রেই মাথার মধ্যে ইটার্ন্যাল রবীন্দ্রজয়ন্তী সেলেব্রেশন. ..তবে অনুষ্ঠানে বিবিধতা নেই।একজনই শিল্পী ,সেই কবে থেকে একঘেয়ে ভাবে "রাহুর প্রেম"আবৃতি করেই চলেছে।
সে যে যা খুশী করুক।আমি ভাবছি ,স্বপ্নগুলোকে একটু ধমকে দেবো নাকি শুধু রি অ্যারেঞ্জ করে নিলেই হবে?
No comments:
Post a Comment