তোর অর্বুদ অর্বুদ সই
আর যুত্সই সব কিংখাব
জ্বরো ওই তিনখান লালতিল
আর গাল থেকে গলা লীনতাপ
থরথর বজ্জাত মনচোর
খালি ভোর চটকায় রিংটোন
রেখে ভাঙা জানালায় ফিসফাস
দেখি সূর্য কতটা ন্যাংটো।
ওই গৌ-ছলছল দুইচোখ
খোঁজে মৃদু ভয়হীন চিলছাদ
যত স্পর্শের নাম ভয় হোক।
মৃদু গুঞ্জনে কাঁপে মৌতাত
যার পিঞ্জরে যত হাঁকডাক
শত মর্দনে অবসন্ন
স্তনবৃন্তের নিচে মৌচাক
আজ রক্তও কি প্রসন্ন
বাতপতাকায় ঢেউ দুষ্ট
আমি আজকাল কারুকাজ না
মেদসুদ্ধ তুমি পুরুষ্ট
দ্রিমি দ্রিম দ্রিম,মনে বাজনা
বাজে বাজনা,তবু সুখ নাই
ফোলা ওষ্ঠ আর শীত্কার
সেই তেমনই খাড়া দরজায়
ঘামগন্ধের টানা চিত্কার
টোকো গন্ধ স্তনসন্ধির
আর অভ্যাস,বুনো অভ্যাস
প্রেমঝনঝন প্রতি তন্ত্রীর
পাতি মিথ্যে কিছু বিন্যাস
নীল পিত্তের স্বাদ ওষ্ঠে
পেশী বাধ্য অবশিষ্টের
জরাসঙ্কেত স্বপ্রকোষ্ঠে
কমদামে কেনা উচ্ছিষ্টের-
নিচে থেমেছি।আর একবার
চোখে মাখবো তোর কঙ্কাল
মেপে দেখবি সীমা স্পর্ধার
চেখে দেখবার নামে জঞ্জাল
যদি দূর হয়,তবে এই ভোর
আর এই রাত,তুলে রাখব
এই আয়োজন সেই বাহুডোর
ভুলে কৈশোর ঝুলে থাকব।
লিখে রাখব,এই স্পন্দন
ভোটে ভাগ করে নেওয়া দেওয়ালে
ছিঁড়ে পোস্টার,হৃতক্রন্দন
ছেনে এঁটে দেব। বুঁদ খেয়ালের
ভাবী ছন্দের নাম মন্ত্র
যার বর্ণরহিত দিনক্ষণ
মদমুগ্ধের মত অন্তর
আর দুলে ওঠা অতিরঞ্জন।
No comments:
Post a Comment