পর্নে দেখা মেদহীন পেটের মত
ক্ষনে ফুলআঁকা বালিশে মুখ গুঁজি,দুতিনটে ফোন,খাটের সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা
ময়লা পোষাকের ডাঁই,জেলা লাইব্রেরি থেকে চুরি করে আনা কটা কবিতার
বই আর আমি...আমি আর পোয়াতি স্বপ্নের মত দিন...
#
একটু একটু করে এবার প্রত্যেকটা কালো দাগসমেত
তুমি ফুটে উঠবে,যত অপ্রকাশ্যই হোক..
ইঁদুরমারা বিষ খেলে বমিবমি লাগে,মরেনা কেউ।
যে অভিজ্ঞতা আমাকে এই চিরসত্য শিখিয়েছিল
বাবা মানে শুধু হোমটাস্ক করে নেওয়া নয়।
#
থ্রি জির থেকে বেশ খানিকটা নির্জনে আন্ড্রয়েড ফোনের নিপলস
ছুঁলেই টক্টক করে ধাতব শব্দ ওঠে।
আর একটা প্লাস্টিকের চেয়ারে(যেটাতে আমার জুতো বসে থাকে)কখনো বসন্ত আসবে না
অথচ যন্ত্রনাও উধাও,অদৃশ্য কিছুই সমীক্ষায় ধরা হবেনা,হয়নি বলেই
মাঝে মাঝে হাল্কা,মসৃন নাইলনের দড়ির স্বপ্ন দেখি।
অজান্তেই প্যান্টের তলে হাত চলে যায়,চমকে উঠি,আমি কি ক্রমশ গাছ হয়ে যাচ্ছি!
#
উড়োফোন এলে আশট্রের মত কবিতার ফাঁকে থুতু ফেলি
নগ্ন হয়ে শুয়ে থাকি বা না থাকি,তোমাকে ভাবলেই নিজেকে একটা শরীর মনে হয়,
উত্থানরহিত জড়োসড়ো একটা পুরুষশরীর।
#
তবুও কিছু ক্ষত শুধু তোমাকে দেখানোর জন্যেই হাট করে খোলা,
একথা বলতেও এতদিন কতকিছু লিখতে হল
তেমন করে তুমিও খুলে দাওনি রক্তচিহ্নের স্বস্তিকা কিছুটা;
#
আমার ঘরের দেওয়ালগুলো সাদা...অথচ বাইরে দিব্যি ঋতু পরিবর্তন হচ্ছে।
একশো দিনের মাটি কাটার নির্বাচনজনিত বিরামে সামার ভাকেশন গড়াগড়ি খাচ্ছে
অস্পস্ট শুক্রের মত উন্নয়নের স্লাক্সে লেগে থাকা ঘামে।
#
বিগতযৌবনা দেহপসারিনী কিংবা কবিতা ফুরিয়ে যাওয়া কবি কেন বেঁচে থাকে?
এ প্রশ্নের উত্তর জানা নেই,যেমন জানা নেই কেন
ঠান্ডা লেগেছে অথচ ডাক্তার বল্লেন কাউন্সিলিং করাতে হবে।
#
মনের উপরে চাইনিজ পেগের মত ভেসেভেসে তুমিও নতুন গিনিপিগ নিয়ে বড্ড খুশী.
কখনো পাতা,কখনো দামী গলবন্ধ নিয়ে জাগলিং শিখছো।
দেখি এবার কি হয়!'এর জন্যে প্রতীক্ষা
এসব স্প্যামকে আটকানোর মত চুতিয়া কোনো সফটওয়্যার নেই।
#
এমনি করেই বাকি দিনকটাও কেটে গেলে
আবার সে ফেলে আসা রাত...রাতের মধ্যে
পেট...পেটের মধ্যে লাথি ছুঁড়ছে কোকিল
#
ভিখারি বাউলটাকে খুন করার স্বপ্নটারই প্রতিরাতে
রিপিট টেলিকাস্ট হয় কেন?
No comments:
Post a Comment